সৌর পিভি দিয়ে বিশ্বে নেতৃত্ব – ইন্দোনেশিয়ার সৌর পিভি সম্ভাবনা উন্মোচন
ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় পিটি পিএলএন (পার্সেরো)-কে রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট (রুফটপ পিএলটিএস) স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে। এই উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ২০২৪-২০২৮ সময়কালে ৫,৭৪৬ মেগাওয়াট (MW) পর্যন্ত ক্ষমতার কোটাও বরাদ্দ থাকবে।

একটি নতুন জাতীয় মহাপরিকল্পনার অধীনে, ইন্দোনেশিয়া ২০৩০ সালের মধ্যে ৪.৬৮ গিগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা যুক্ত করার এবং তার বর্ধিত বিদ্যুৎ ক্ষমতার ৫১.৬% নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য, ভবিষ্যতে ইন্দোনেশিয়ার উচ্চমানের সোলার পিভি মডিউলের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদে উচ্চমানের সোলার পিভি মডিউলের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সোলার পিভি ভ্যালু চেইনের স্থানীয়করণ অপরিহার্য। ফলস্বরূপ, ২০৩৫ সালের মধ্যে সোলার পিভি স্থানীয়করণের ফলে ইন্দোনেশিয়ায় ৫ বিলিয়ন থেকে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ আসবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
২০৬০ সালের মধ্যে, ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি ক্ষেত্রে সৌরশক্তির আধিপত্য থাকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৬০%-এরও বেশি পূরণ করবে। সৌরশক্তির এই বিপুল সম্ভাবনা ২০৬০ সালের মধ্যে নেট জিরো এমিশন অর্জনের জন্য ইন্দোনেশিয়ার কাছে সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
